- অর্থনীতি
- আত্মজীবনী/স্মৃতিকথা
- অনুবাদ
- বিজ্ঞান/প্রযুক্তি
- গল্প
- রবীন্দ্রসাহিত্য
- ভৌতিক
- লোকসাহিত্য
- ওয়েস্টার্ন
- অভিধান
- ফটোগ্রাফি
- সমাজবিজ্ঞান
- ইতিহাস
- উপন্যাস
- কবিতা
- কোষগ্রন্থ
- খেলাধুলা
- চিকিৎসাশাস্ত্র
- ছোটগল্প
- জীবনী
- জোক্স
- দর্শন
- ধাঁধা
- প্রত্নতত্ত্ব/স্থাপত্য
- প্রবন্ধ
- ফটোগ্রাফি
- বিজ্ঞান
- বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
- ভাষা ও ব্যাকরণ
- ভ্রমণ
- মনোবিজ্ঞান
- মুক্তিযুদ্ধ
- রচনাসমগ্র
- রবীন্দ্রসাহিত্য
- রম্য/বিবিধ
- রম্যরচনা
- সংগীত
জন সাইটটি দেখেছেন

Book Name : বাংলাদেশের নগর : উদ্ভব ও বিকাশ
Author Name : মোঃ মোশারফ হোসেন/সম্পাদনা : এ. কে. এম. শাহনাওয়াজ
Price : Tk.300.00/=
ISBN Code : 984-446-058-1
Book Details :
সভ্যতার ইতিহাসে নগরায়ন বিশেষ তাৎপর্য ধারণ করে। প্রাগৈতিহাসিক যুগের গ্রাম-সংস্কৃতি অবসান ঘটিয়ে মানুষ প্রবেশ করেছিল সভ্যতার যুগে। সভ্যতার অন্যতম লণ হচ্ছে নগরের পত্তন। খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ-তৃতীয় অব্দের মধ্যে উত্তর-বাংলায় গড়ে উঠেছিল নগর। এরপর শুরু হয় নাগরিক জীবনের অব্যাহত যাত্রা। প্রাচীন ও মধ্যযুগব্যাপী বাংলাদেশের অনেক অঞ্চলেই নগর গড়ে উঠতে থাকে। বর্তমান বগুড়া জেলার একটি অংশ ঘিরে প্রাচীণকালে গড়ে উঠেছিল পুণ্ড্রনগর। প্রাচীনকালেই আজকের কুমিল্লা শহরের এক প্রান্তে নগর জয়কর্মান্তবসাকের পত্তন ঘটে। প্রাচীন যুগের শেষ পর্বে এযুগের মালদহ-মুর্শিদাবাদ অঞ্চল ঘিরে গড়ে ওঠে লণাবতী। মধ্যযুগের প্রারম্ভে ঢাকার অদূরে ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার তীর ঘেঁষে দাঁড়িয়ে ছিল নগর সুবর্ণগ্রাম। মধ্যযুগেই বাগেরহাট অঞ্চলে জন্ম হয় খলিফাতাবাদ নগরের। মোগল যুগে দবক নাম নিয়ে আত্মপ্রকাশ করে আজকের ঢাকা নগরী। কালক্রমে নাগরিক জীবনের নানা উপাদান যুক্ত হয়ে নগরসমূহের বিচিত্র বিকাশ সাধিত হয়। এভাবে প্রণ্ড্রনগর রূপান্তরিত হয় মহাস্থান নামে, জয়কর্মীন্তবসাকের নামান্তর ঘটে মযনামতিতে, লণাবতী হয় গৌড়, সুবর্ণগ্রাম সুপরিচিত হয় সোনারগাঁ নামে, খলিফাতাবাদ হয়ে যায় বাগেরহাট এবং দবক নাম হারিয়ে ঢাকা নামটি প্রতিষ্ঠা পায়। এসমস্ত প্রতিষ্ঠিত নগর ছাড়াও প্রত্নতাত্ত্বিকগণ দেশের অনেক অঞ্চলেই নাগরিক জীবরে স্মারক নানা প্রত্নবস্তুর সন্ধান পেয়েছেন। বাংলাদেশের নগর : উদ্ভব ও বিকাশ গ্রন্থে এসব অবলুপ্ত নগরের সঙ্গে পাঠককে পরিচিত করার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নগরসমূহের বিকাশমান পর্যায়ে স্থাপিত বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত বা ধ্বংসপ্রায় নানা স্থাপত্য, গড়ে তোলা ভাস্কর্যসমূহ এবং সংশ্লিষ্ট নানা নাগরিক উপাদান আনুপূর্বিক উপস্থাপন করা হয়েছে। বিশ্লেষণ করা হয়েছে প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিকের দৃষ্টিভঙ্গিতে। এই গ্রন্থের মধ্য দিয়ে পেছনে ফিরে এক উজ্জ্বল অতীতের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।